নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ জুন ২০২৬ | ১২:৪৫ পিএম
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া হাজিদের ১৫০টি লাগেজ কেটে মালামাল চুরির অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক তদন্তে কোনো ধরনের অনিয়ম বা লাগেজ ব্যবস্থাপনায় ত্রুটির প্রমাণ মেলেনি।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি পোস্টে দাবি করা হয়, হজ থেকে ফেরা যাত্রীদের ১৫০টি লাগেজ কেটে মালামাল চুরি করা হয়েছে। বিষয়টি নজরে আসার পর সরকার দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেয়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, অভিযোগের পর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে অভ্যন্তরীণ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। বিমানবন্দরের সিসিটিভি এবং বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। সেই প্রতিবেদনে কোনো ধরনের মিসহ্যান্ডলিং বা চুরির প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট ফ্লাইটে মোট ৮৩৬টি লাগেজ পরিবহন করা হয়। এর মধ্যে ২১টি ব্যাগ ছেঁড়া বা কাটা অবস্থায় পাওয়া গেছে বলে দায়িত্বপ্রাপ্ত গ্রাউন্ড স্টাফদের কাছ থেকে মৌখিকভাবে জানা গেছে।
লাগেজ ব্যবস্থাপনার নিয়ম তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চেক-ইন লাগেজে জমজমের পানি বা যথাযথভাবে সিলগালা না করা তরল সামগ্রী বহন করা নিষিদ্ধ। স্ক্যানিংয়ের সময় এ ধরনের বস্তু শনাক্ত হলে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ নিয়ম অনুযায়ী ব্যাগ খুলে বা কেটে সেগুলো জব্দ করতে পারে। একইভাবে আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুসারে ঘোষণা ছাড়া নগদ অর্থ বা মানিব্যাগ বুকিং লাগেজে রাখা নিষিদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের সত্যতা যাচাই না করে বিভ্রান্তি ছড়ানো উচিত নয়। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৫০টি লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।
© 2026 Aviation Times 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত