, , ,

শিরোনাম
এভিয়েশন খাতকে আঞ্চলিক হাবে রূপান্তরের কাজ শুরু হয়েছে : বিমানমন্ত্রী দেশীয় এয়ারলাইন শক্তিশালী না হলে এভিয়েশন হাব হবে না : ইউএস-বাংলার এমডি বিমানবন্দরে হারানো পাসপোর্ট-স্বর্ণসহ ব্যাগ ফেরাল আনসার ইরানের ২৭ এয়ারলাইন্সসহ ৩৬ প্রতিষ্ঠানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এক ভিসাতেই মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশে ভ্রমণের সুযোগ অনিয়মের অভিযোগে ‘ত্রিপল এ ওভারসিজ’ সিলগালা, জরিমানা ৫০ হাজার হজ ২০২৭ : অনুমতি পেল ৭০২ এজেন্সি প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে স্টেক অ্যান্ড এস্কেপ, র‍্যাফেল জিতলেই কক্সবাজার ভ্রমণ নয়াদিল্লিতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মেডিকেল ট্যুরিজম ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ মাদক চোরাচালান ঠেকাতে বিমানবন্দর-টার্মিনালে বসছে স্ক্যানার

এভিয়েশন খাতকে আঞ্চলিক হাবে রূপান্তরের কাজ শুরু হয়েছে : বিমানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২:৪৯ পিএম

এভিয়েশন খাতকে আঞ্চলিক হাবে রূপান্তরের কাজ শুরু হয়েছে : বিমানমন্ত্রী

বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতকে আঞ্চলিক হাবে রূপান্তরের কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেছেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে এক ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যে এভিয়েশন খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কুর্মিটোলায় ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে বণিক বার্তা আয়োজিত ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বিশ্বমানের এভিয়েশন’ শীর্ষক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পাশাপাশি কার্গো ও যাত্রীসেবা, উড়োজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত এবং পর্যটন খাতের উন্নয়নে সরকার একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে। এভিয়েশন হাব গড়ে তুলতে আধুনিক বিমানবন্দর, উন্নত কার্গো সুবিধা ও আন্তর্জাতিক মানের যাত্রীসেবা নিশ্চিত করা জরুরি।

এভিয়েশন খাতের ৪২ বছরের পুরোনো বিভিন্ন বিধিমালা পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের জন্য যেসব নিয়ম বাধা তৈরি করছে, সেগুলো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হবে। নতুন বিধিমালা তৈরির সময় এয়ারলাইনগুলোর প্রতিনিধিদের মতামতও নেওয়া হবে।

দেশে উড়োজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের সক্ষমতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে উড়োজাহাজের বড় ধরনের মেরামতের জন্য ভারত বা সিঙ্গাপুরে পাঠাতে হয়। ভবিষ্যতে দেশের ভেতরেই এ ধরনের সক্ষমতা তৈরি করা হবে।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগের সরকার প্রকল্পটি বাতিল করলেও বর্তমান সরকার তা পুনরায় বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রায় ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের প্রকল্পটি বাস্তবায়নে জাপানের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, বর্তমানে শাহজালাল বিমানবন্দর বছরে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ যাত্রীকে সেবা দিতে সক্ষম। তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে এ সক্ষমতা ২ কোটি ৪০ লাখের বেশি হবে।

বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানি কমানোর বিষয়েও সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আগে লাগেজ পেতে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হলেও বর্তমানে সময় অনেক কমেছে। নিরাপত্তা ও সেবার মান বাড়াতে বিমানবন্দরে বডি-ওন ক্যামেরাও ব্যবহার করা হচ্ছে।

পর্যটন খাতের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে এভিয়েশন ও পর্যটনকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন বিমানমন্ত্রী। তাঁর মতে, দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ও পর্যটন সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও যথাযথ ব্যবস্থাপনার অভাবে এ খাত কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি।

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Archive Calendar

Su Mo Tu We Th Fr Sa

© 2026 Aviation Times 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Design and Development by : webnewsdesign.com