, , ,

শিরোনাম
এভিয়েশন খাতকে আঞ্চলিক হাবে রূপান্তরের কাজ শুরু হয়েছে : বিমানমন্ত্রী দেশীয় এয়ারলাইন শক্তিশালী না হলে এভিয়েশন হাব হবে না : ইউএস-বাংলার এমডি বিমানবন্দরে হারানো পাসপোর্ট-স্বর্ণসহ ব্যাগ ফেরাল আনসার ইরানের ২৭ এয়ারলাইন্সসহ ৩৬ প্রতিষ্ঠানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এক ভিসাতেই মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশে ভ্রমণের সুযোগ অনিয়মের অভিযোগে ‘ত্রিপল এ ওভারসিজ’ সিলগালা, জরিমানা ৫০ হাজার হজ ২০২৭ : অনুমতি পেল ৭০২ এজেন্সি প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে স্টেক অ্যান্ড এস্কেপ, র‍্যাফেল জিতলেই কক্সবাজার ভ্রমণ নয়াদিল্লিতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মেডিকেল ট্যুরিজম ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ মাদক চোরাচালান ঠেকাতে বিমানবন্দর-টার্মিনালে বসছে স্ক্যানার

দেশীয় এয়ারলাইন শক্তিশালী না হলে এভিয়েশন হাব হবে না : ইউএস-বাংলার এমডি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২:৪৭ পিএম

দেশীয় এয়ারলাইন শক্তিশালী না হলে এভিয়েশন হাব হবে না : ইউএস-বাংলার এমডি

দেশীয় এয়ারলাইনগুলোকে শক্তিশালী না করে শুধু বড় বিমানবন্দর নির্মাণের মাধ্যমে বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন। এ জন্য এয়ারলাইনগুলোর পরিচালন ব্যয় কমানো, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি এবং নীতিগত সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে বণিক বার্তা আয়োজিত ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বিশ্বমানের এভিয়েশন’ শীর্ষক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, শুধু ‘এভিয়েশন হাব’ বললেই বাংলাদেশ হাব হয়ে যাবে না। এ ক্ষেত্রে দেশীয় এয়ারলাইনগুলোকে নেতৃত্ব দিতে হবে এবং তাদের ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশ সহজ করতে হবে।

তৃতীয় টার্মিনাল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্মাণের শুরু থেকে এয়ারলাইন অপারেটরদের প্রয়োজনীয় মতামত নেওয়া হয়নি। অথচ যাত্রী ও অপারেটরদের প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়েই টার্মিনালের সুযোগ-সুবিধা নির্ধারণ করা উচিত।

এভিয়েশন খাতে ১৯৮৪ সালের বিধিমালার পরিবর্তে নতুন বিধিমালা প্রণয়নের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, নতুন নীতি কার্যকর হলে এয়ারলাইনগুলোর ব্যয় কমানোর সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে একাধিক প্রতিষ্ঠানকে সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

বাংলাদেশে বিমানভাড়া তুলনামূলক বেশি হওয়ার জন্য কর ও বিভিন্ন চার্জকেও দায়ী করেন ইউএস-বাংলার এমডি। তিনি বলেন, ঢাকা থেকে কুয়ালালামপুর বা সিঙ্গাপুর যাওয়ার ক্ষেত্রে একজন যাত্রীর ওপর সরকারি কর ও ভ্যাট বাবদ প্রায় ৯ হাজার ৮৯০ টাকা পর্যন্ত ব্যয় পড়ে। এতে যাত্রী ও এয়ারলাইন উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

রানওয়ের স্বল্পতায় উড়োজাহাজকে অপেক্ষা করতে হওয়ায় অতিরিক্ত জ্বালানি ব্যয়ের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার দাবি, শুধু একটি রানওয়ের কারণে ইউএস-বাংলার প্রতিদিন প্রায় ২০ লাখ টাকা ক্ষতি হচ্ছে।

দেশের পর্যটন ও কৃষিপণ্য রপ্তানি বাড়াতে বিমান পরিবহনের ব্যয় কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, প্রতিযোগিতামূলক ও কার্যকর এভিয়েশন ব্যবস্থা ছাড়া বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলা কঠিন।

ইউএস-বাংলা আগামী কয়েক বছরে প্রায় ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের উড়োজাহাজ সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে বলেও জানান তিনি।

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Archive Calendar

Su Mo Tu We Th Fr Sa

© 2026 Aviation Times 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Design and Development by : webnewsdesign.com