, , ,

শিরোনাম
তৃতীয় টার্মিনাল : ২১ হাজার কোটির প্রকল্পে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার অনিয়ম! বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাসের রহমান, সহ-সভাপতি আহমেদ ইউসুফ ওয়ালিদ তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার সিএএবির, তদন্তের ঘোষণা সরকারের খানজাহান আলী বিমানবন্দরে চীনা বিনিয়োগের সম্ভাবনা থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত হবে, কাউকে ছাড় নয় : প্রতিমন্ত্রী শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে বসছে অত্যাধুনিক ৪জি-৫জি ইনডোর টেলিকম নেটওয়ার্ক একটি দেশের চেয়েও বড় বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবন্দর আইএটিএর প্রথম নারী মহাপরিচালক হলেন সাদিয়া জাহিদি ভারতীয়দের ভিসা সুবিধা বাতিল করল চার দেশ শাহজালাল বিমানবন্দরে ১১.৮ কেজি গাঁজাসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার

তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার সিএএবির, তদন্তের ঘোষণা সরকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৬ | ৩:১৪ এএম

তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার সিএএবির, তদন্তের ঘোষণা সরকারের

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্পে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ নাকচ করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএএবি)। সংস্থাটি জানিয়েছে, প্রকল্পের সব ব্যয় যথাযথ সরকারি অনুমোদন ও চুক্তির শর্ত মেনেই করা হয়েছে।

২৫ জুলাই দেওয়া এক বিবৃতিতে সিএএবি দাবি করে, সাম্প্রতিক কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকল্পের ব্যয়, ভ্যারিয়েশন কাজ, চুক্তি বাস্তবায়ন ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে আংশিক ও প্রেক্ষাপটবিহীন তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে।

সিএএবি জানায়, প্রায় দুই বছর আগে নির্মাণকাজ শেষ হলেও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী কারিগরি পরীক্ষা, অপারেশনাল প্রস্তুতি এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ের কারণে টার্মিনালটি চালু হতে দেরি হয়েছে। এসব কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে, আর বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হতে পারে ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে।

৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা অনুমোদন ছাড়াই ব্যয় হয়েছে—এমন অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করেছে সংস্থাটি। তাদের ভাষ্য, ২০১৭ সালে ১৩ হাজার ৬১০ কোটি টাকার মূল ডিপিপি অনুমোদিত হয়। আন্তর্জাতিক দরপত্রের পর ২০১৯ সালে সংশোধিত ডিপিপির ব্যয় নির্ধারণ করা হয় ২১ হাজার ৩৯৯ কোটি টাকা। পরে ২০২৫ সালের ৭ ডিসেম্বর পরিকল্পনা কমিশন ৩ হাজার ২৬৭ কোটি টাকার ভ্যারিয়েশন কাজসহ ২১ হাজার ৩৬৫ কোটি টাকার দ্বিতীয় সংশোধিত ডিপিপি অনুমোদন দেয়। এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ২০ হাজার ৩৪৭ কোটি টাকা, যা অনুমোদিত বাজেটের মধ্যেই রয়েছে।

ল্যান্ডস্কেপিং, পুকুর উন্নয়ন, মাটি অপসারণ ও কোভিড-১৯ সময়ে কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য ঠিকাদারকে অতিরিক্ত অর্থ প্রদানের অভিযোগও অস্বীকার করেছে সিএএবি। তাদের দাবি, এসব ব্যয় আন্তর্জাতিক ফিডিক (FIDIC) চুক্তি কাঠামো অনুযায়ী আন্তর্জাতিক প্রকৌশল পরামর্শক ও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়েই করা হয়েছে।

বিদেশি অর্থায়নপ্রাপ্ত প্রকল্প নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ফ্যাপাড) ৬ হাজার ৩০০ কোটি টাকার নিরীক্ষা আপত্তির বিষয়ে সিএএবি বলেছে, বড় সরকারি প্রকল্পে এ ধরনের আপত্তি স্বাভাবিক এবং তা দুর্নীতির প্রমাণ নয়। এর মধ্যে ১ হাজার ৭৭ কোটি টাকার আপত্তি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি বিষয়গুলোর জবাব প্রস্তুত করা হচ্ছে।

এদিকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্পে দুর্নীতি ও অনিয়মের সব অভিযোগ তদন্ত করা হবে। তিনি বলেন, ভুয়া ভ্যারিয়েশন কাজের অনুমোদন কে দিয়েছেন, কত টাকা আত্মসাৎ হয়েছে এবং কারা জড়িত—সবই তদন্তে খতিয়ে দেখা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতির বিষয়ে কোনো আপস হবে না। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Archive Calendar

Su Mo Tu We Th Fr Sa

© 2026 Aviation Times 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Design and Development by : webnewsdesign.com