ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ : ১০ জুলাই ২০২৬ | ৩:৩৫ পিএম
বৈশ্বিক পণ্য পরিবহনের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মোকাবিলায় বহর সম্প্রসারণে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে এমিরেটস স্কাইকার্গো। প্রথমবারের মতো যাত্রীবাহী বিমান থেকে রূপান্তরিত একটি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআরএসএফ মালবাহী উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত করেছে সংস্থাটি।
এ৬-ইবিকে নিবন্ধনধারী উড়োজাহাজটি চলতি বছরের মার্চের পর এমিরেটস স্কাইকার্গোর বহরে যুক্ত হওয়া ষষ্ঠ নতুন কার্গো বিমান। গত ৩০ জুন দুবাই থেকে হংকংগামী ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে এটি বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে।
এটি এমন পাঁচটি রূপান্তরিত বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআরএসএফ উড়োজাহাজের প্রথম, যা ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ বহরে যুক্ত হবে। বর্তমানে এমিরেটস স্কাইকার্গো ১৭টি কারখানায় নির্মিত বোয়িং ৭৭৭এফ পরিচালনা করছে। নতুন এই উড়োজাহাজ ১০০ টন পর্যন্ত পণ্য বহনে সক্ষম। এর কার্গো ধারণক্ষমতা ৮১১ ঘনমিটার, যা প্রচলিত ৭৭৭এফের তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ বেশি।
রূপান্তরের সময় বিমানের আসন, ওভারহেড বিন, রান্নাঘর ও শৌচাগারসহ সব যাত্রীসেবা অবকাঠামো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। পরে অভ্যন্তরীণ কাঠামো শক্তিশালী করে কার্গো পরিবহনের উপযোগী করা হয়। এতে বড় কার্গো দরজা, উন্নত অগ্নিনির্বাপণ ও ধোঁয়া শনাক্তকরণ ব্যবস্থা, শক্তিশালী মেঝে এবং আধুনিক কার্গো লোডিং সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি ক্রুদের জন্য বিশ্রামাগার ও অতিরিক্ত আসনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
এমিরেটস স্কাইকার্গো জানিয়েছে, নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হওয়ায় তাদের বৈশ্বিক কার্গো নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী হবে। চলতি বছরের শুরুতে যেখানে তাদের কার্গো গন্তব্য ছিল ৪০টির কিছু বেশি, বর্তমানে তা বেড়ে ৬২টিতে পৌঁছেছে।
সংস্থাটি ২০২৭ সালের মধ্যে আরও চারটি রূপান্তরিত বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআরএসএফ এবং ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ পাঁচটি নতুন বোয়িং ৭৭৭এফ বহরে যুক্ত করার পরিকল্পনা করেছে। এমিরেটসের আশা, এই সম্প্রসারণের ফলে বৈশ্বিক বাণিজ্যে পণ্য পরিবহনের সক্ষমতা, নমনীয়তা এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের সংযোগ আরও উন্নত হবে।
© 2026 Aviation Times 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত