প্রকাশ : ১২ অগাস্ট ২০২৬ | ৩:১১ এএম
অপরাধ করে দেশ ছেড়ে পালানো কিংবা বিদেশ থেকে অপরাধ করে দেশে ফেরার ক্ষেত্রে অপরাধীদের পথ ক্রমেই কঠিন হচ্ছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ প্রযুক্তি, ই-গেট ও বডি স্ক্যানারের ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে।
সন্দেহভাজন ব্যক্তির ছবি নিরাপত্তা ব্যবস্থায় যুক্ত থাকলে এআই-চালিত ক্যামেরার মাধ্যমে বিমানবন্দরে তার উপস্থিতি শনাক্ত করা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সতর্ক করা সম্ভব।
বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, দেশের তিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর—শাহজালাল, শাহ আমানত ও ওসমানীতে আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। বিশেষ করে শাহজালাল বিমানবন্দরের টার্মিনাল, ইমিগ্রেশন, বোর্ডিং ব্রিজ ও কার্গো এলাকায় বসানো ক্যামেরায় যাত্রীদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি মুখমণ্ডল শনাক্ত করা যায়।
এআইভিত্তিক ভিডিও বিশ্লেষণের মাধ্যমে অস্বাভাবিক চলাফেরা, দীর্ঘ সময় সন্দেহজনক অবস্থান কিংবা পরিত্যক্ত বস্তু শনাক্ত করেও নিরাপত্তাকর্মীদের সতর্ক করা হচ্ছে। স্বর্ণ চোরাচালান ঠেকাতেও বডি স্ক্যানারসহ আধুনিক তল্লাশি সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে।
বেবিচকের নিরাপত্তা বিভাগের সদস্য এয়ার কমোডর আসিফ ইকবাল বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত নজরদারি চলছে। এতে গত দুই থেকে আড়াই বছরে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে।
শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগিব সামাদ বলেন, অপরাধী ও চোরাকারবারিদের শনাক্ত করতে আধুনিক সরঞ্জামের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে। আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।
© 2026 Aviation Times 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত