, , ,

শিরোনাম
ফ্লাইট বাতিলে সৌদিতে আটকা ৪ হাজার ভারতীয় ওমরাহ যাত্রী, দেশে ফেরাতে তৎপর দিল্লি ১২ বছর পর নতুন পোশাকে পিআইএর কেবিন ক্রুরা, যাত্রা শুরু ৩১ অক্টোবর পার্থ, চীন ও আফ্রিকায় নতুন ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইনসের দুবাই বিমানবন্দরে ফিরছে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট, বাড়ছে ইউরোপ-এশিয়ার যোগাযোগ প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের আগেই ঢাকা-নারিতা রুটে বিমানের ফ্লাইট দ্বিগুণ থার্ড টার্মিনাল : জাপানের চার শর্তে সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা ১২ পরিত্যক্ত উড়োজাহাজ নিয়ে বিপাকে বেবিচক, আটকে আছে বিক্রির প্রক্রিয়া ১৬ ডিসেম্বর চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল কম্বোডিয়ায় প্রতারণা চক্রের ফাঁদে আটকে থাকা ৩০ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন সৌদির অনুমতি মিললেই রিয়াদে ফ্লাইট চালু করবে বাংলাদেশ

১২ পরিত্যক্ত উড়োজাহাজ নিয়ে বিপাকে বেবিচক, আটকে আছে বিক্রির প্রক্রিয়া

প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০২৬ | ৭:৪৬ এএম

১২ পরিত্যক্ত উড়োজাহাজ নিয়ে বিপাকে বেবিচক, আটকে আছে বিক্রির প্রক্রিয়া

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, রিজেন্ট এয়ারওয়েজ ও জিএমজি এয়ারলাইনসের পরিত্যক্ত ১২টি উড়োজাহাজ সরাতে গিয়ে উভয় সংকটে পড়েছে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। উড়োজাহাজগুলো বিক্রি করে প্রত্যাশিত অর্থ পাওয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকে, বছরের পর বছর বিমানবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করে থাকায় রাজস্ব আয়ের সুযোগও ব্যাহত হচ্ছে।

উড়োজাহাজগুলো কেনার জন্য তিনটি প্রতিষ্ঠান দরপত্র জমা দিয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ তিন লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার দর প্রস্তাব করেছে এরোপোরিয়া অ্যারোস্পেস। করসহ এ প্রস্তাবের মূল্য প্রায় পাঁচ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। অন্যদিকে, সেনা কল্যাণ সংস্থা কর ছাড়া তিন কোটি সাত লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং সেফ ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন লিমিটেড আড়াই লাখ মার্কিন ডলার দর প্রস্তাব করেছে।

বেবিচকের ৩২০তম বোর্ড সভায় উড়োজাহাজগুলো অপসারণ ও নিলামে বিক্রির বিষয়টি পর্যালোচনা করা হয়। গত ৭ অক্টোবরের সভায় সর্বোচ্চ দরকে ভিত্তিমূল্য ধরে নিলামের প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণ এবং বিমান মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক অনুমোদন নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এ জন্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

বেবিচক সূত্র জানায়, উড়োজাহাজগুলোর উড্ডয়নযোগ্যতার সনদের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বিধি অনুসারে নিবন্ধন বাতিল করা হয়। বারবার নোটিশ দেওয়ার পরও সেগুলো সরানো হয়নি। পরে ২০২৪ সালের ২৬ মে উড়োজাহাজগুলো বাজেয়াপ্তের আদেশ জারি করা হয়। তবে মালিকানা ও ঋণের দায় নিয়ে আইনি জটিলতা দেখা দিয়েছে। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ঋণের বিপরীতে দায়বদ্ধ উড়োজাহাজ বাজেয়াপ্তের আদেশ বাতিল চেয়ে অর্থঋণ আদালতে আবেদন করেছে। হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের কারণে মামলার কার্যক্রম আটকে রয়েছে।

বেবিচকের হিসাব অনুযায়ী, উড়োজাহাজ ও আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম মিলিয়ে প্রায় এক লাখ ৯২ হাজার ১০০ বর্গফুট জায়গা দখল হয়ে আছে। উড়োজাহাজগুলো সরানো গেলে সেখানে প্রায় ১২টি নতুন পার্কিং বে তৈরি করা সম্ভব। এতে বিমানবন্দরের পরিচালন সক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি রাজস্ব আয়ের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের আইনি মতামতে উড়োজাহাজগুলো নিলামে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ আপাতত বেবিচকের পৃথক হিসাবে জমা রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। এখন প্যানেল আইনজীবীর চূড়ান্ত মতামত ও মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের ওপর নির্ভর করছে পরবর্তী কার্যক্রম।

Facebook Comments Box

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Archive Calendar

Su Mo Tu We Th Fr Sa

© 2026 Aviation Times 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Design and Development by : webnewsdesign.com