নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ অক্টোবর ২০২৬ | ১:১৭ পিএম
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জুতার ভেতর লুকানো ৮০টি সোনার বার উদ্ধারের ঘটনায় করা মামলায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুই কর্মী। উদ্ধার করা সোনার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা। তাঁদের জবানবন্দির মধ্য দিয়ে চোরাচালানের ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
জবানবন্দি দেওয়া দুই কর্মী হলেন মানিক মিয়া ও মিজানুর রহমান। পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে শনিবার তাঁদের আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় তাঁরা স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও বিমানবন্দর থানার পরিদর্শক আবুল কাইয়ুম জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন। ঢাকা মহানগর হাকিম হাসান শাহাদাত তাঁদের জবানবন্দি রেকর্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক আবু বকর সিদ্দিক এ তথ্য জানান।
এর আগে গত রোববার সকালে দুই কর্মীকে আটক করার কথা জানায় শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। পরে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত রোববার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান চালান সংস্থাটির কর্মকর্তারা। রানওয়ের কাছে দুবাই থেকে আসা এমিরেটস এয়ারলাইনসের ইকে-০৫৮২ ফ্লাইট অবস্থান করার সময় দুই কর্মীর জুতার ভেতর থেকে সোনার বারগুলো উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার করা ৮০টি সোনার বারের প্রতিটির ওজন প্রায় ১১৭ গ্রাম। সব মিলিয়ে সোনার মোট ওজন প্রায় ৯ দশমিক ৩৪ কেজি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব সোনার বারের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা।
ঘটনার পর সোনার উৎস, এর সম্ভাব্য গন্তব্য এবং চোরাচালানের সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু হয়। বিমানবন্দরের নিরাপত্তাব্যবস্থা ও নজরদারির মধ্য দিয়ে কীভাবে এত বিপুল পরিমাণ সোনা সরানোর চেষ্টা করা হয়েছিল, সেটিও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
এ ঘটনায় গত রোববার বিমানবন্দরের শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেলের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা রুহানি ইসলাম বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন।
দুই কর্মীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র দিতে পারে। তবে সোনার প্রকৃত উৎস, গন্তব্য এবং সম্ভাব্য সহযোগীদে
© 2026 Aviation Times 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত