, , ,

শিরোনাম
ফ্লাইট বাতিলে সৌদিতে আটকা ৪ হাজার ভারতীয় ওমরাহ যাত্রী, দেশে ফেরাতে তৎপর দিল্লি ১২ বছর পর নতুন পোশাকে পিআইএর কেবিন ক্রুরা, যাত্রা শুরু ৩১ অক্টোবর পার্থ, চীন ও আফ্রিকায় নতুন ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইনসের দুবাই বিমানবন্দরে ফিরছে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট, বাড়ছে ইউরোপ-এশিয়ার যোগাযোগ প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের আগেই ঢাকা-নারিতা রুটে বিমানের ফ্লাইট দ্বিগুণ থার্ড টার্মিনাল : জাপানের চার শর্তে সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা ১২ পরিত্যক্ত উড়োজাহাজ নিয়ে বিপাকে বেবিচক, আটকে আছে বিক্রির প্রক্রিয়া ১৬ ডিসেম্বর চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল কম্বোডিয়ায় প্রতারণা চক্রের ফাঁদে আটকে থাকা ৩০ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন সৌদির অনুমতি মিললেই রিয়াদে ফ্লাইট চালু করবে বাংলাদেশ

রিজেন্ট এয়ারওয়েজের মূল প্রতিষ্ঠানের সহযোগী সংস্থা অবসায়নের নির্দেশ হাইকোর্টের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬ | ২:৫০ পিএম

রিজেন্ট এয়ারওয়েজের মূল প্রতিষ্ঠানের সহযোগী সংস্থা অবসায়নের নির্দেশ হাইকোর্টের

উড়োজাহাজ ইজারার ৩৭ লাখ ডলারের বেশি বকেয়া পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় রিজেন্ট এয়ারওয়েজের মূল প্রতিষ্ঠান হাবিব গ্রুপের সহযোগী সংস্থা এইচজি এভিয়েশন লিমিটেডকে অবসায়নের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাওনা আদায়ের প্রক্রিয়া পরিচালনায় একজন অবসায়কও নিয়োগ দিয়েছেন আদালত।

বিচারপতি মো. তৌফিক ইনামের একক কোম্পানি বেঞ্চ গত ১৯ আগস্ট এ রায় দেন। গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) রায়ের ১৫ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়। এতে ২০২০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক উইলমিংটন ট্রাস্ট কোম্পানিকে ৩৭ লাখ ৯ হাজার ৮২৭ ডলারের বেশি পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী প্রযোজ্য সুদ ও অন্যান্য পাওনাও যুক্ত হতে পারে।

আদালত সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার আসিফ বিন আনোয়ারকে অবসায়ক নিয়োগ করেছেন। তাঁকে এক সপ্তাহের মধ্যে অবসায়ন কার্যক্রম শুরু করে দুই মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১২ সালের ১৪ ডিসেম্বর উইলমিংটন ট্রাস্ট কোম্পানি একটি ব্যবহৃত বোয়িং ৭৩৭-৭০০ উড়োজাহাজ এইচজি এভিয়েশনকে ইজারা দেয়। পরবর্তী সময়ে ইজারার অর্থসহ বিভিন্ন পাওনা পরিশোধে ব্যর্থ হয় প্রতিষ্ঠানটি। ২০২০ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে একাধিক আইনি নোটিশ পাওয়ার পর বকেয়া পরিশোধের দায় স্বীকার করে কিস্তিতে অর্থ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল এইচজি এভিয়েশন। তবে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়নি। পরে কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় হাইকোর্টে অবসায়নের আবেদন করে উইলমিংটন ট্রাস্ট।

আইনজীবী মো. মুক্তাদির রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে হাবিব গ্রুপের ১১টি প্রতিষ্ঠানের অবসায়ন চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। আপাতত একটি প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। পাওনা আদায় সম্ভব না হলে বাকি ১০টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে হাবিব স্টিলস, ডায়মন্ড সিমেন্ট, রিজেন্ট স্পিনিং মিলস, রিজেন্ট টেক্সটাইল মিলস, রিজেন্ট পাওয়ার ও রিজেন্ট এয়ারওয়েজ। এসব প্রতিষ্ঠানের কাছে সরকারি সংস্থা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন পাওনাদারের প্রায় চার হাজার কোটি টাকা পাওনা রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

১৯৪৭ সালে যাত্রা শুরু করা হাবিব গ্রুপ একসময় তৈরি পোশাক, বস্ত্র, ইস্পাত, সিমেন্ট, কাগজ ও বিমান পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে ব্যবসা পরিচালনা করত। তবে আর্থিক সংকট ও ঋণখেলাপির কারণে গ্রুপটির অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। কোভিড-১৯ মহামারির সময় ২০২০ সালে রিজেন্ট এয়ারওয়েজও ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ করে দেয়।

এইচজি এভিয়েশনকে অবসায়নের নির্দেশের ফলে প্রতিষ্ঠানটির সম্পদ থেকে পাওনা আদায়ের আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে। একই সঙ্গে হাবিব গ্রুপের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ এবং পাওনাদারদের অর্থ ফেরত পাওয়ার বিষয়টিও নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে।

Facebook Comments Box

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Archive Calendar

Su Mo Tu We Th Fr Sa

© 2026 Aviation Times 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Design and Development by : webnewsdesign.com