ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৮:২২ এএম
ইন্দোনেশিয়ায় আনাক ক্রাকাতাউ আগ্নেয়গিরি থেকে ছাই, গ্যাস ও লাভা উদ্গীরণের পর বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে দেশটির বিমান চলাচল। আগ্নেয়গিরির ছাই ছড়িয়ে পড়ায় রাজধানী জাকার্তার সোয়েকার্নো-হাট্টা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ আটটি বিমানবন্দরে সব ধরনের ফ্লাইট কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। এতে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার যাত্রী বিভিন্ন বিমানবন্দরে আটকা পড়েছেন।
সোমবারও বিমান চলাচল স্বাভাবিক হয়নি। ইন্দোনেশিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরিস্থিতির কারণে দেশটির বিভিন্ন বিমানবন্দর থেকে ১ হাজার ৫৫৮টি ফ্লাইটের উড্ডয়ন ও অবতরণের সময়সূচি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপের মাঝখানে অবস্থিত সুন্দা প্রণালির একটি দ্বীপে আনাক ক্রাকাতাউ আগ্নেয়গিরির অবস্থান। গত শুক্রবার রাতে আগ্নেয়গিরিটি হঠাৎ সক্রিয় হয়ে ওঠে। এরপর আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় মৃদু ভূকম্পন অনুভূত হওয়ার পাশাপাশি জ্বালামুখ দিয়ে ছাই, গ্যাস ও লাভা বের হতে শুরু করে। রোববারও আগ্নেয়গিরিটি থেকে দুই দফা অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটে।
পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আটকা পড়া যাত্রীদের বড় একটি অংশ আন্তর্জাতিক রুটের। তাদের মধ্যে সিঙ্গাপুর, দোহা, সিডনি ও কুয়ালালামপুরগামী যাত্রীও রয়েছেন।
ইন্দোনেশিয়ার পরিবহনমন্ত্রী দুদি পুরওয়াগনাদি বলেন, পশ্চিম জাভার বিভিন্ন এলাকাতেও আগ্নেয়গিরির ছাই ছড়িয়ে পড়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এ অবস্থায় বিমান চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দরগুলোতে কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিমান চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়লেও তাদের জন্য টিকিটের পুরো অর্থ ফেরতের সুযোগ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে ফ্লাইট চলাচল পুনরায় শুরু হলে দ্রুত যাত্রীদের অবহিত করতে বিমান সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আগ্নেয়গিরির কার্যক্রম ও ছাইয়ের বিস্তার পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
© 2026 Aviation Times 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত