, , ,

শিরোনাম
প্রায় আট বছর পর সিলেটের আকাশে ফিরল বিদেশি এয়ারলাইনস কর-জ্বালানি ও রানওয়ে জটে বাড়ছে বিমান ভাড়া ইঞ্জিনে ত্রুটি, জয়পুরে জরুরি অবতরণ এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানের চীন থেকে বুলেট ট্রেন আনার উদ্যোগ, নতুন বিমানবন্দরে অগ্রাধিকার ময়মনসিংহ এভিয়েশন খাতকে আঞ্চলিক হাবে রূপান্তরের কাজ শুরু হয়েছে : বিমানমন্ত্রী দেশীয় এয়ারলাইন শক্তিশালী না হলে এভিয়েশন হাব হবে না : ইউএস-বাংলার এমডি বিমানবন্দরে হারানো পাসপোর্ট-স্বর্ণসহ ব্যাগ ফেরাল আনসার ইরানের ২৭ এয়ারলাইন্সসহ ৩৬ প্রতিষ্ঠানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এক ভিসাতেই মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশে ভ্রমণের সুযোগ অনিয়মের অভিযোগে ‘ত্রিপল এ ওভারসিজ’ সিলগালা, জরিমানা ৫০ হাজার

কর-জ্বালানি ও রানওয়ে জটে বাড়ছে বিমান ভাড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৫:৩৭ পিএম

কর-জ্বালানি ও রানওয়ে জটে বাড়ছে বিমান ভাড়া

উচ্চ কর ও শুল্ক, ব্যয়বহুল উড়োজাহাজের জ্বালানি, বেশি গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং চার্জ এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে জটের কারণে দেশের এয়ারলাইনসগুলোর পরিচালন ব্যয় বাড়ছে। এর প্রভাব পড়ছে যাত্রীদের টিকিটের দামে। এমনটাই জানিয়েছেন ইউএস-বাংলা গ্রুপ ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন।

শনিবার রাজধানীর কুর্মিটোলায় দৈনিক বণিক বার্তা আয়োজিত ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বিশ্বমানের এভিয়েশন’ শীর্ষক নীতি সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।

মামুন বলেন, ঢাকা থেকে কুয়ালালামপুরগামী একজন যাত্রীর সরকারি কর ও আবগারি শুল্ক বাবদ প্রায় ৯ হাজার ৮৯০ টাকা দিতে হয়। বিপরীতে কুয়ালালামপুর থেকে ঢাকায় আসার ক্ষেত্রে একই খরচ প্রায় ২ হাজার টাকা। ঢাকা-সিঙ্গাপুর রুটে যাত্রীর কর প্রায় ৯ হাজার ৮৯০ টাকা হলেও বিপরীত পথে তা প্রায় ৫ হাজার ৮০০ টাকা। ঢাকা-মাসকাট রুটেও দুই দিকের কর ও শুল্কের মধ্যে বড় পার্থক্য রয়েছে।

দেশীয় রুটেও বিভিন্ন কর ও চার্জের চাপ রয়েছে বলে জানান তিনি। ঢাকা-যশোর রুটে একজন যাত্রীর টিকিটে প্রায় ৫০০ টাকা ভ্যাট ও ২০০ টাকা কর দিতে হয়। বিমানবন্দর-সংশ্লিষ্ট অন্যান্য খরচসহ এ ব্যয় প্রায় ১ হাজার ২০০ টাকায় দাঁড়ায়।

উড়োজাহাজের জ্বালানির দাম ও গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং চার্জ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন ইউএস-বাংলার এমডি। তাঁর দাবি, বাংলাদেশে উড়োজাহাজের জ্বালানি কলকাতার তুলনায় ব্যয়বহুল। একই সঙ্গে ঢাকায় গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের খরচ কুয়ালালামপুরের তুলনায় অনেক বেশি। তাঁর দেওয়া হিসাবে, কুয়ালালামপুরে প্রায় ৯৭ হাজার টাকা খরচ হলেও ঢাকায় একই সেবায় কোনো কোনো বিদেশি এয়ারলাইনসের ব্যয় প্রায় ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত হয়।

রানওয়ে জটও এয়ারলাইনসের ব্যয় বাড়াচ্ছে। তাঁর ভাষ্য, উড়োজাহাজকে ট্যাক্সিওয়েতে ১০ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে উড়োজাহাজের ধরনভেদে অতিরিক্ত জ্বালানি পুড়ছে। রানওয়ে সংকটের কারণে ইউএস-বাংলার প্রতিদিন প্রায় ২০ লাখ টাকা ক্ষতি হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

বেবিচকের এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সদস্য এয়ার কমোডর নুর-ই-আলম জানান, বর্তমানে শাহজালালে ঘণ্টায় ২০ থেকে ২২টি ফ্লাইট পরিচালনা করা সম্ভব। হাইস্পিড ট্যাক্সিওয়ে চালু হলে সক্ষমতা বেড়ে ২৬ থেকে ২৮টি হতে পারে। পাশাপাশি দ্বিতীয় রানওয়ে নির্মাণের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

বিমানমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ৪২ বছর পর বেসামরিক বিমান চলাচলের নিয়ম পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়ম চূড়ান্ত করার আগে সংশ্লিষ্ট খাতের অংশীজনদের মতামত নেওয়া হবে।

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Archive Calendar

Su Mo Tu We Th Fr Sa

© 2026 Aviation Times 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Design and Development by : webnewsdesign.com