প্রকাশ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৭:৪১ এএম
প্রায় এক দশক পর মালয়েশিয়ার আকাশপথে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে দেশটির প্রথম হালালভিত্তিক বিমান সংস্থা রায়ানি এয়ার। তবে এবার নিয়মিত যাত্রীবাহী রুটে বড় পরিসরে প্রতিযোগিতার বদলে হজ ও ওমরাহ যাত্রী পরিবহনকে কেন্দ্র করে ব্যবসা পরিচালনার পরিকল্পনা করছে প্রতিষ্ঠানটি।
নতুন উদ্যোগের নাম দেওয়া হয়েছে ‘রায়ানি এয়ার ২.০ হালাল’। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালে একটি এয়ারবাস এ৩৩০-৩০০ উড়োজাহাজ দিয়ে কার্যক্রম পুনরায় শুরু করতে পারে সংস্থাটি। মূলত হজ ও ওমরাহ মৌসুমে সৌদি আরবের পবিত্র নগরীগুলোতে বিশেষ বা চার্টার ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।
রায়ানি এয়ার ২০১৫ সালে মালয়েশিয়ার বিমান পরিবহন বাজারে যাত্রা শুরু করে। তবে এক বছরের মধ্যেই ২০১৬ সালে দেশটির বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা নিরাপত্তা ও পরিচালনাগত বিভিন্ন উদ্বেগের কারণে প্রতিষ্ঠানটির এয়ার অপারেটর সার্টিফিকেট স্থগিত করে। এরপর বন্ধ হয়ে যায় সংস্থাটির কার্যক্রম।
এবারের ব্যবসায়িক পরিকল্পনা আগের মডেলের চেয়ে ভিন্ন। নিয়মিত অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে প্রতিযোগিতার পরিবর্তে নির্দিষ্ট মৌসুমের হজ ও ওমরাহ যাত্রী পরিবহনের বাজারকে লক্ষ্য করছে রায়ানি এয়ার।
তবে এই বাজারে প্রতিষ্ঠানটিকে প্রতিযোগিতা করতে হবে মালয়েশিয়া এয়ারলাইনসের হজ ও ওমরাহ-কেন্দ্রিক সহযোগী প্রতিষ্ঠান আমালের সঙ্গে। বড় উড়োজাহাজ ব্যবহার করে তীর্থযাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি মালয়েশিয়া এয়ারলাইনসের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আমালের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হিসেবে কাজ করছে।
তবে রায়ানি এয়ারের পুনরায় যাত্রা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। ২০২৭ সালে কার্যক্রম শুরু করতে হলে মালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও সনদ নিতে হবে। ফলে নির্ধারিত সময়ে ফ্লাইট শুরু করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ন্ত্রক অনুমোদনসহ বিভিন্ন শর্ত পূরণের ওপর নির্ভর করছে।
২০১৫ সালে যাত্রার সময় হালালভিত্তিক সেবার কারণে রায়ানি এয়ার ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছিল। উড়োজাহাজে মদ ও শূকরের মাংস পরিবেশন না করা এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও বিষয়বস্তু প্রচারের মতো নীতিগুলো ছিল সংস্থাটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
© 2026 Aviation Times 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত