প্রকাশ : ২৪ অগাস্ট ২০২৬ | ৯:৩৬ এএম
দেশের সাংস্কৃতিক পর্যটন বা কালচারাল ট্যুরিজম উন্নয়নে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ঐতিহাসিক স্থাপনা ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনকে পর্যটন উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। সভায় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমানসহ দুই মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় পর্যটনমন্ত্রী বলেন, পর্যটন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শিল্প, যার সঙ্গে সংস্কৃতি খাতের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। বর্তমানে দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ২ থেকে ৩ শতাংশ। এ অবদান ৭ থেকে ৮ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।
তিনি বলেন, দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে এমওইউ স্বাক্ষরের পর অভিন্ন নীতিমালা বা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) প্রণয়ন করা হবে। একই সঙ্গে কালচারাল ট্যুরিজম উন্নয়নে ‘জয়েন্ট টাস্কফোর্স ফর কালচারাল ট্যুরিজম’ গঠন করা হবে।
সভায় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী দেশের বিমানবন্দরগুলোতে বিদেশ থেকে আগত যাত্রীদের কাছে নজরুল বর্ষের প্রচারণা চালানোর প্রস্তাব দেন। পর্যটনমন্ত্রী এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রচারণামূলক উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান।
সভাপতির বক্তব্যে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের ঐতিহ্য হাজার বছরের পুরোনো। ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো সংরক্ষণের পাশাপাশি পর্যটনকে কেন্দ্র করে এসব স্থাপনার উন্নয়ন করা হবে।
তিনি জানান, দেশে ৫৫৪টি প্রত্নতাত্ত্বিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান পর্যায়ক্রমে টাস্কফোর্স পরিদর্শন করবে। পরিদর্শনের পর প্রয়োজনীয় উন্নয়নমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার, এনডিসিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
© 2026 Aviation Times 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত