প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২:১১ এএম
বিমানবন্দরে হাইজ্যাক, নাশকতা ও আকস্মিক জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের আটটি বিমানবন্দরে সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। আসন্ন আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইসিএও) নিরাপত্তা অডিট সামনে রেখে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, জরুরি পরিস্থিতিতে বিমানবন্দরভেদে প্রাথমিক ও বিকল্প সাড়াদানকারী সংস্থা নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রাথমিক সাড়াদানকারী হিসেবে বিমানবাহিনী ঘাঁটি একে খন্দকার এবং বিকল্প হিসেবে ৪৬ পদাতিক ব্রিগেড ও র্যাব-১ দায়িত্ব পালন করবে।
চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে বিমানবাহিনী ঘাঁটি জহুরুল হক, সিলেটের ওসমানী বিমানবন্দরে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ, কক্সবাজার বিমানবন্দরে বিমানবাহিনী ঘাঁটি কক্সবাজার, সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ৬৬ পদাতিক ডিভিশন, রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে পুলিশের সিটিটিসি ইউনিট, যশোর বিমানবন্দরে বিমানবাহিনী ঘাঁটি বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান এবং বরিশাল বিমানবন্দরে র্যাব-৮-কে প্রাথমিক সাড়াদানকারী হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি বিমানবন্দরে বিকল্প সংস্থাও প্রস্তুত থাকবে।
নিরাপত্তা জোরদারে বিমানবন্দরের প্রবেশমুখ, ল্যান্ডসাইড এলাকা, ভিআইপি ও সিআইপি লাউঞ্জে তল্লাশি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শাহজালাল বিমানবন্দরে একজন প্রবেশ পাসধারীর সঙ্গে সর্বোচ্চ দুজন দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবেন। অনিয়ম ঠেকাতে এপিবিএনকে জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ ও যানবাহন ব্যবস্থাপনায় আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া শাহজালাল বিমানবন্দরের অকার্যকর আন্ডার ভেহিক্যাল স্ক্যানিং সিস্টেম দ্রুত সচল, কাস্টমসের ব্যাগেজ স্ক্যানিং মেশিন মেরামত এবং অননুমোদিত ড্রোন প্রতিরোধে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিমানবন্দর নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
© 2026 Aviation Times 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত