, , ,

শিরোনাম
তৃতীয় টার্মিনাল : ২১ হাজার কোটির প্রকল্পে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার অনিয়ম! বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাসের রহমান, সহ-সভাপতি আহমেদ ইউসুফ ওয়ালিদ তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার সিএএবির, তদন্তের ঘোষণা সরকারের খানজাহান আলী বিমানবন্দরে চীনা বিনিয়োগের সম্ভাবনা থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত হবে, কাউকে ছাড় নয় : প্রতিমন্ত্রী শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে বসছে অত্যাধুনিক ৪জি-৫জি ইনডোর টেলিকম নেটওয়ার্ক একটি দেশের চেয়েও বড় বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবন্দর আইএটিএর প্রথম নারী মহাপরিচালক হলেন সাদিয়া জাহিদি ভারতীয়দের ভিসা সুবিধা বাতিল করল চার দেশ শাহজালাল বিমানবন্দরে ১১.৮ কেজি গাঁজাসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার

উদঘাটন হয়নি রহস্য, এমএইচ৩৭০ অনুসন্ধান আরও এক বছর বাড়াল মালয়েশিয়া

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ : ৩০ জুন ২০২৬ | ৪:২৬ এএম

উদঘাটন হয়নি রহস্য, এমএইচ৩৭০ অনুসন্ধান আরও এক বছর বাড়াল মালয়েশিয়া

বিশ্বের অন্যতম রহস্যময় বিমান নিখোঁজের ঘটনা মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট এমএইচ৩৭০-এর অনুসন্ধান কার্যক্রম আরও এক বছরের জন্য বাড়িয়েছে মালয়েশিয়া সরকার। এ লক্ষ্যে গভীর সমুদ্র অনুসন্ধানকারী প্রতিষ্ঠান ওশান ইনফিনিটির সঙ্গে বিদ্যমান চুক্তির মেয়াদ ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) মালয়েশিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয় জানায়, নতুন চুক্তি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে। এর আওতায় আরও ১২ মাস অনুসন্ধান কার্যক্রম চলবে। সরকারের আশা, অতিরিক্ত এই সময়ের মধ্যে দীর্ঘদিনের রহস্য উদ্ঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হবে।

মালয়েশিয়ার পরিবহনমন্ত্রী অ্যান্থনি লোক বলেন, এমএইচ৩৭০-এর অনুসন্ধান অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিখোঁজ যাত্রী ও ক্রু সদস্যদের পরিবারের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। তিনি বলেন, বহু বছর ধরে অপেক্ষায় থাকা পরিবারগুলোর কাছে ঘটনার একটি গ্রহণযোগ্য সমাপ্তি পৌঁছে দেওয়াই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

২০১৪ সালের ৮ মার্চ কুয়ালালামপুর থেকে চীনের বেইজিংয়ের উদ্দেশে উড্ডয়ন করে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭৭৭-২০০ইআর উড়োজাহাজটি। এতে ২২৭ জন যাত্রী ও ১২ জন ক্রুসহ মোট ২৩৯ জন আরোহী ছিলেন। উড্ডয়নের কিছু সময় পরই এটি রাডার থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়। এরপর ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ ও ব্যয়বহুল অনুসন্ধান অভিযান পরিচালিত হলেও এখন পর্যন্ত বিমানটির মূল ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

ওশান ইনফিনিটি এর আগে ২০১৮ সাল পর্যন্ত অনুসন্ধান পরিচালনা করেছিল। পরে ‘খুঁজে না পেলে অর্থ নয়’ নীতিতে মালয়েশিয়া সরকারের সঙ্গে নতুন চুক্তি করে প্রতিষ্ঠানটি। চুক্তি অনুযায়ী, বিমানটির ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পাওয়া গেলে প্রতিষ্ঠানটি ৭ কোটি মার্কিন ডলার পারিশ্রমিক পাবে।

বর্তমান চুক্তির আওতায় দক্ষিণ ভারত মহাসাগরের প্রায় ১৫ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকায় অনুসন্ধান চলছে। এর মধ্যে এখনও প্রায় ৭ হাজার ৪২৮ বর্গকিলোমিটার এলাকা অনুসন্ধান বাকি রয়েছে। নতুন মেয়াদে অবশিষ্ট এলাকাগুলোতে অনুসন্ধান সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

পরিবহনমন্ত্রী আরও জানান, অনুসন্ধানের সময়সূচিতে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। কারণ, ওশান ইনফিনিটিকে ২০২৬ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের এপ্রিল পর্যন্ত তাদের প্রধান অনুসন্ধান জাহাজের একটি অংশ অন্য বাণিজ্যিক প্রকল্পে নিয়োজিত রাখতে হবে।

© 2026 Aviation Times 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Design and Development by : webnewsdesign.com